শিরোনাম
গ্রেফতার বন্ধ না করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: ঐক্যফ্রন্টপর্ব-২ ছদ্মবেশী অনুসন্ধান।। মহাসড়কে টাকার ছড়াছড়ি! (ভিডিও)চকরিয়ায় বিএনপির প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলা সাংবাদিকসহ আহত ২০রাজনীতিতেও দেশপ্রেমের নজির স্থাপন করতে চান মাশরাফি‘গৌরবময় স্বাধীনতা’ ব্যতিক্রমী কাজের মাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এসপি শাহ মিজানব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন গুলিবিদ্ধ, থমথমে নোয়াখালীআওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা ১৮ ডিসেম্বরআমজাদ হোসেনের সম্মানে তিন দিন শুটিং বন্ধকুয়েতে আকামা বদলের নতুন নিয়ম চালু হচ্ছেউলিপুর আ.লীগ সভাপতি শিউলি বহিষ্কারবিজয়ের সাজে সজ্জিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়মেঘালয়ে ‘ইঁদুরের গর্তে’ নিখোঁজ ১৩ গ্রামবাসীকাশ্মিরে সংঘর্ষ গুলি, নিহত ১১দিনাজপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুনারীদের অবদানে রাজশাহী আরও এগিয়ে যাবে : মেয়র লিটনরাজধানীর পুরান ঢাকায় বাসা থেকে গ্রেনেড উদ্ধারভোটকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না: সিইসিশিবগঞ্জে সাবেক পৌর কাউন্সিলরসহ গ্রেফতার ৩ইবিতে শীতকালীন ছুটি ২৯ ডিসেম্বর হতে ৯ জানুয়ারিঝালকাঠিতে জাপার প্রচার আছে মাঠে নেই প্রার্থী ও কর্মী

কাজের মনোযোগ নষ্ট করে ফেসবুক!

প্রযুক্তি: আপনি একটি কাজ অনেক মনোযোগ সহকারে করছেন। ঠিক এমন সময় মুঠোফোন আপনাকে জানিয়ে দিল ফেসবুকে কেউ আপনাককে বার্তা পাঠিয়েছে। এমন অবস্থায় আপনি কি করবেন? আপনি বিরক্ত হতেন। আর যদি বিরক্ত নাও হতেন তাহলে আপনার মনোযোগ ছুটে যেত ফোনের দিকে। অবশ্যই আপনার কাজে বাধা পড়ত। মনোযোগে বাধা পড়লে তা কোন কাজই সম্ভব হয় না।

মানুষের একইসঙ্গে একাধিক কাজ করা বা মাল্টি-টাস্কিংয়ের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু ক্ষমতা থাকলেও তাতে কোনো কাজই ঠিকঠাক হয়ে ওঠে না। এ বিষয়টি নিয়ে এখন পর্যন্ত কম গবেষণা হয়নি। আর সব গবেষণার ফলই নেতিবাচক এসেছে। বর্তমান সময়ের গবেষণাগুলো বলছে, স্মার্টফোনের ওপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীলতাই এই সমস্যার মূল কারণ।

আমরা এই স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটস অ্যাপসহ আরও বিভিন্ন ধরণের স্যোশাল সাইট ব্যাবহার করি। এক গবেষণা বলছে, কাজের ফাঁকে ফেসবুকে ৩০ সেকেন্ড চোখ বুলিয়ে নেওয়া মানে শুধু ৩০ সেকেন্ড নয়, প্রায় ২৫ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের জন্য কাজের বাইরে চলে যাওয়া। এই সমস্যাকে বলা হচ্ছে ‘ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশন’। বিভিন্ন গবেষণার ফল এতে তুলে ধরা হলো-
১। কাজে বাধা পড়লে গড়ে ২৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ড লাগে পুনরায় মনোযোগ ফিরে পেতে।

২। উচ্চ মানসিক চাপ, খারাপ মেজাজ এবং কম উৎপাদনশীলতার কারণ এই মনোযোগে বাধা।

৩। যুক্তরাষ্ট্রে মানবসৃষ্ট দুর্ঘটনার ১০ দশমিক ৫ শতাংশ হয় ডিজিটাল ডিসট্র্যাকশনের জন্য।

৪। শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে কাটানো সময়ের এক-পঞ্চমাংশ তাদের ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহারে ব্যয় করে যা তাদের শ্রেণিকক্ষের কাজের সঙ্গে জড়িত না।

৫। ইন্টারনেটের যুগে জন্মগ্রহণকারীদের ডিজিটাল নেটিভ বলা হয়। এরা প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ২৭ বার কাজ পরিবর্তন করে!

৬। যদি কোনো শিক্ষার্থী প্রতি ১৫ মিনিটে একবার ফেসবুকে ঢুঁ মারে তবে তার পরীক্ষার ফল খারাপ হয়।

৭। কাজের সময় ই-মেইল বা টিভি দেখলে মস্তিষ্কের ভুল অংশে তথ্য জমা হয়। প্রয়োজনের সময় সে তথ্য খুঁজে পেতে সমস্যা হয়।

৮। আসক্তি থেকে অনেক সময় ‘ফ্যানটম ভাইব্রেশন সিনড্রোম’ নামের মানসিক রোগ দেখা দেয়। এতে মোবাইল ফোনে কল না এলেও মনে হতে থাকে যেন রিং বা ভাইব্রেশন হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন..