আজ: ২৫শে মার্চ, ২০১৯ ইংরেজি
শিরোনাম

লিভার সিরোসিস কখন হয়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক । বাংলা লাইভ ২৪

ক্যান্সারের মতো লিভার সিরোসিসও একটি মরণব্যধি। সাধারণত লিভারের দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহের কারণে এটি হয়। লিভারের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ হলে একসময় লিভারের মধ্যে কিছু গুটি তৈরি হয় এবং লিভার তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এই অবস্থাকে লিভার সিরোসিসের বলা হয়।

লিভার সিরোসিস হওয়ার পেছনে মূল যে কারণ সেটি হলো ভাইরাস। সাধারণত হেপাটাইটিস ‘বি’ আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত। এ ছাড়া হেপাটাইটিস ‘সি’। এই দুটি ভাইরাস দিয়েই সাধারণত লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে।

এছাড়া লিভারের চর্বিজনিত কারণে বা ফ্যাটি লিভার যাদের থাকে, তাদের ক্ষেত্রে যদি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ থাকে, তাহলেও লিভার সিরোসিস হতে পারে। মদ্যপানজনিত কারণেও লিভার সিরোসিস হতে পারে। এ ছাড়া জন্মগত কিছু অসুখ আছে, যেমন হেমোক্লোম্যাটোসিস জাতীয় কিছু কিছু অসুখ থেকেও লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে।

সাধারণত আমাদের দেশে শিশু বয়সে হেপাটাইটিস ‘বি’ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এতে ১০ থেকে ২০ বছর বয়সে অনেকে আক্রান্ত হয়। এ ছাড়া ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সেও ওই ব্যক্তিরা বেশি আক্রান্ত হয়। হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস সাধারণত কোনো রক্ত পরিসঞ্চালন বা কোনো অস্ত্রোপচার- এই জাতীয় কারণে সমস্যা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে দেখা গেছে যে, মাঝবয়সী লোকজনই বেশি আক্রান্ত হয়। তাদের ক্ষেত্রেও ১০ থেকে ১৫ বছর পরে লিভার সিরোসিস দেখা দেয়।

লিভার সিরোসিসের ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে লক্ষণ অনেকের ক্ষেত্রে বোঝা যায় না। কোনো লক্ষণ ছাড়াই ধীরে ধীরে লিভারের মধ্যে প্রদাহ হতে থাকে। তবে এটি বেড়ে গেলে পেটে অথবা পায়ে পানি চলে আসতে পারে। ক্ষুধামান্দ্য ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া প্রাথমিকভাবে জন্ডিস দেখা দিতে পারে।

যেসব কারণে লিভার সিরোসিস হয় তা বর্জন করতে হবে। বিয়ের আগে স্ক্রিনিং করাতে হবে। টিকার মাধ্যমে মুক্ত থাকা সম্ভব। অ্যালকোহল থেকে অবশ্যই নিবৃত থাকতে হবে। প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি খাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •