আজ: ২৫শে মার্চ, ২০১৯ ইংরেজি
শিরোনাম

বাংলাদেশে ভূমিকম্পের যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক । বাংলা লাইভ ২৪

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। ঝুঁকির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে দেশকে চারটি সিসমিক জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট ও পার্শ্ববর্র্তী এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। অপরদিকে যশোর ও খুলনা এলাকা ভূমিকম্পে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা।

বুধবার জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের করা এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ১০ মার্চ জাতীয় দুযোর্গ প্রস্তুতি দিবস এবং ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন মার্কেট, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারিক অফিস ও প্রতিষ্ঠানে ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়ার আয়োজন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘ভূমিকম্পসহ যে কোনো দুর্যোগের প্রস্তুতি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ গ্রহণের জন্য নগর স্বেচ্ছাসেবকসহ বাংলাদেশ স্কাউট, ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিসি), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, গার্লস গাইড, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ইত্যাদি সংস্থার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক দল সব সময় প্রস্তুত আছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দুই হাজার ৫০০ জন প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কাউট শিক্ষককে ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া আয়োজনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষিত শিক্ষকগণের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়ার আয়োজন করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগ কবলিত এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ২৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার যন্ত্রপাতি ক্রয় করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে সরবরাহ করা হয়েছে। চীনের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী অনুদান হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রাপ্ত ভূমিকম্পে উদ্ধার কাজে ব্যবহারের জন্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকার সরঞ্জাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে সরবরাহ করা হয়েছে।’

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনসহ কয়েকটি মহানগরীতে আপদকালীন পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে জানিয়ে এনামুর রহমান বলেন, ‘ভূমিকম্পসহ বড় ধরণের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি ও সারা দান সমন্বয়ের জন্য ন্যশনাল ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ভূমিকম্প সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠান ও সংবাদ রিপোর্টিং এবং ভূমিকম্প মোকাবিলায় করণীয় সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •