আজ: ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইংরেজি
শিরোনাম

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসেনি, পরিচ্ছন্নতার নামে ফটোসেশন নয়: কাদের

বাংলালাইভ ডেস্ক । 

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসেনি জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির নামে ফটোসেশন না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের বিশেষ জরুরি সভায় তিনি এ পরামর্শ দেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “ঢাকা সিটিতে প্রতিদিনই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমরা যতটা মুখে নিয়ন্ত্রণের কথা বলি না কেন, এখনো এটা নিয়ন্ত্রণে আসেনি।”

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু মোকাবেলার কর্মসূচি আমার সিরিয়াসলি, সিনসিয়ারলি নিয়েছি। দেশের স্বার্থে, দলের স্বার্থে আমাদের নেত্রীর নির্দেশনায় আমরা এ কাজটি করব।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমরা কয়েকটি জায়গায় এই প্রোগ্রামটি পালন করলাম, আর বেশির ভাগ ওয়ার্ডে এ কর্মসূচি পালন হলো না। এমন দায়সারা গোছের কর্মসূচি চাই না। এতে এডিস মশা ধ্বংস হবে না, উৎসমুখ বন্ধ হবে না। ডেঙ্গু রোগের বিস্তারও রোধ করতে পারব না। ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমাদের সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। মশার প্রজনন ধ্বংস করার পূর্বশর্ত হচ্ছে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতা।”

তিনি বলেন, “ক্যামেরার সামনে ফটোসেশন করার জন্য পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়। আমরা দেখতে চাই ঢাকার কয়টা ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। আমাদের নেত্রীও জানতে চায় এই কর্মসূচির বিষয়ে।”

ওবায়দুল কাদের বলেন, “পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি একদিন করলে হবে না, প্রতিদিনই করতে হবে। যেসব ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়নি, সেসব ওয়ার্ডে শুরু করবেন। যারা ইতোমধ্যে শুরু করেছেন, তারা এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখবেন।”

উপস্থিত আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ওয়ার্ড সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা কাউন্সিলরদের সহযোগিতা করবেন।”

সেতুমন্ত্রী বলেন, “এডিস মশা ভয়ংকর, এডিস মশা কামড় দিতে চেহারার দিকে তাকাবে না। সুযোগ পেলে সবাইকে কামড়াবে, রক্ত খাবে। সবাইকে সচেতন হতে হবে, সাবধান থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ডেঙ্গু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। এটা শুধু মুখে নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে আমাদের।”

‘মিডিয়া না থাকলে সরকার ডেঙ্গুকে গুজব বলে চালিয়ে দিত’- বিএনপির এমন মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “মিডিয়া না থাকলে বিএনপির মতো বড় দল খুঁজে পাওয়া যেত না। তারা আন্দোলন, নির্বাচন সবক্ষেত্রেই ব্যর্থ। তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নেই, বন্যার্তদের পাশেও দাঁড়ায়নি। তাদের আবাসিক প্রতিনিধি বসে বসে প্রেস ব্রিফিং করে। মিডিয়া না থাকলে তাদের অস্তিত্ব পাওয়া যেত না।”

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, এনামুল হক শামীম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আফজাল হোসেন প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান