আজ: ২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইংরেজি
শিরোনাম

আবারও কংগ্রেসের হাল ধরলেন সোনিয়া গান্ধী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক । 

ফের ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস সভাপতি হলেন সোনিয়া গান্ধী। শনিবার দিনভর আলোচনার পর উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী দলটির দলের ওয়ার্কিং কমিটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এআইসিসি নতুন সভাপতি নির্বাচন না-করা পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সোনিয়া।

এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা গোলাম নবী আজাদ। একই সঙ্গে অবশেষে গৃহীত হয়েছে সভাপতির পদ থেকে রাহুল গান্ধীর ইস্তফা।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পরে ২৫ মে কংগ্রেস সভাপতি পদ ছেড়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা দেন রাহুল। আড়াই মাস ধরে দলের নেতারা তার মত বদলের চেষ্টা চালিয়ে সফল হননি। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও সভাপতি হতে রাজি ছিলেন না।

এর পর সোনিয়াকে অনুরোধ করা হলে তিনি প্রথমে সাড়া দেননি। এই নিয়ে দিশাহীন অবস্থায় ছিল কংগ্রেস। এর মধ্যে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না-থাকা সত্ত্বেও বিরোধীদের পরোয়া না করে তিন তালাক বিল এবং ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ ও জম্মু-কাশ্মীর বিভাজন বিল পাশ করিয়ে নেয় নরেন্দ্র মোদি সরকার। ফলে নতুন সভাপতি বাছাইয়ের জন্য দাবি জোরদার হতে থাকে কংগ্রেসে।

তখন একে একে উঠতে থাকে মুকুল ওয়াসনিক, মল্লিকার্জুন খড়্গে, কুমারী শৈলজা, সুশীল শিন্ডে, পি এল পুনিয়ার মতো প্রবীণ নেতাদের নাম। এমনকি নবীন প্রজন্মের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও সচিন পাইলটের নাম আসে।

মুকুল ওয়াসনিককে সভাপতি করার বিষয়টি প্রায় ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাহুল এই নিয়ে আপত্তি জানিয়ে দলের অন্য নেতাদের মতামত নেওয়ার কথা বলেন।

এই অবস্থায় ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সবাই রাহুলকেই সভাপতি থেকে যেতে অনুরোধ করেন। কিন্তু রাহুল বলেন, ‘‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি।’’ আরও নানান ঘটনার পর সোনিয়ার দ্বারস্থ হন কংগ্রেস নেতারা। তাদের মতে, গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ সভাপতি হলে দল ভেঙে যাবে। অনেক অনুরোধের পরে নরম হন সোনিয়া। তবে জানিয়ে দেন, এই ব্যবস্থা অস্থায়ী। যত শিগগির সম্ভব নয়া সভাপতি বাছতে হবে।

সোনিয়া গান্ধী এর আগে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন
  • 9
  •  
  •  
  •  

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানান